সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

রেডিয়েশন থেকে বেঁচে থাকার উপায়

 বর্তমান বিশ্ব যু' দ্ধে বিশ্বাসী।তাই কখনও অনাকাঙ্ক্ষিত যু' দ্ধের সম্মুখীন হলে কিভাবে আত্ম রক্ষা  করবেন।

সতর্কতা : 

 ভারত এবং পাকিস্তান দুটিই পরমাণু শক্তিসম্পন্ন দেশ। তাই যদি কোনো কারণে পরমাণু যুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি হয় এবং পাকিস্তান পরমাণু বোমা ব্যবহার করে, তাহলে আমাদের প্রস্তুত থাকতে হবে। কিন্তু রেডিয়েশন থেকে বাঁচার উপায় কী? চলুন জেনে নিই।


রেডিয়েশনের বীভৎসতা

*********************

পরমাণু বোমার বিস্ফোরণের সময় প্রচণ্ড তাপ এবং পারমানবিক শক্তি নির্গত হয়, কিন্তু এরপর যে রেডিয়েশন ছড়িয়ে পড়ে, তা অনেক বেশি ক্ষতিকর। এই রেডিয়েশন কয়েক কিলোমিটার পর্যন্ত ছড়িয়ে যায় এবং মানুষের শরীরে প্রবেশ করলে মারাত্মক ক্ষতি করে। এটি ক্যানসার, ত্বকের রোগ এবং অন্যান্য মারাত্মক অসুখের কারণ হতে পারে। হিরোশিমা ও নাগাসাকির ঘটনায় দেখা গেছে, বিস্ফোরণের চেয়ে রেডিয়েশন এর কারণে বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।


রেডিয়েশন থেকে বাঁচার উপায়

💥💥💥💥💥💥💥💥💥💥

যদি কোনো দেশ পরমাণু হামলা করে, তাহলে বাঁচার জন্য খুব কম সময় হাতে থাকে। তাই দ্রুত এবং সঠিক পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। 

নিচে কিছু গুরুত্বপূর্ণ উপায় দেওয়া হল:


1) নিরাপদ আশ্রয়ে যান: 

বিস্ফোরণের পর রেডিয়েশন খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। তাই দূরে পালানোর চেষ্টা না করে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব কোনো বন্ধ ঘরে বা বাড়ির ভেতরে আশ্রয় নিন। বেসমেন্ট বা কংক্রিটের দেয়ালওয়ালা ঘর সবচেয়ে নিরাপদ।


2)পরবর্তী ২৪ ঘণ্টা বাইরে যাবেন না: রেডিয়েশন এর মাত্রা প্রথম ২৪ ঘণ্টা সবচেয়ে বেশি থাকে। তাই এই সময় বাইরে বের হওয়া থেকে বিরত থাকুন।


3)পরনের কাপড় খুলে ফেলুন: আপনি যে কাপড় পরে আছেন, তাতে রেডিয়েশন লেগে থাকতে পারে। তাই দ্রুত কাপড় খুলে একটি প্লাস্টিকের ব্যাগে বন্ধ করে দিন। এই ব্যাগ মানুষ বা পশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।


4)ভালো করে স্নান করুন:

 সাবান দিয়ে ভালো করে স্নান করুন। তবে শরীর খুব জোরে ঘষবেন না। চোখ, নাক এবং কানপরিষ্কার কাপড় দিয়ে মুছে নিন।


5)পানীয় জল ও খাবার সুরক্ষিত রাখুন: 

যে খাবার বা জল বাইরে খোলা ছিল, তা ব্যবহার করবেন না। বন্ধ বোতলের পানীয় জল বা প্যাকেটজাত খাবার গ্রহণ করুন।


ভারত ও পাকিস্তান এর মধ্যে বর্তমান উত্তেজনার পরিপ্রেক্ষিতে আমাদের এই ধরনের পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকা দরকার। 'অপারেশন সিন্দুর' এর মাধ্যমে ভারত দেখিয়েছে যে, তারা সন্ত্রাসের নামে  কঠোর হঠকারী  পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

তিন শ্রেণীর লোক দ্বারা সর্বপ্রথম জাহান্নাম উদ্বোধন

♪♪তিন শ্রেণীর লোক দ্বারা সর্বপ্রথম জাহান্নাম উদ্বোধন করা হবে। যথাঃ (ক) শহীদ। (খ) আলেম এবং (গ) দানবীর। ★হাদিস: তিন শ্রেণীর লোক সর্বপ্রথম জাহান্নামে যাবেঃ প্রখ্যাত সাহাবী আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে ইরশাদ করতে শুনেছি, নবীজী বলেন:কেয়ামতের দিন সর্বপ্রথম যাদের বিচার করা হবে, শাহাদত বরণকারী একজন লোক, তাকে উপস্থিত করা হবে এবং আল্লাহ প্রদত্ত্ব যাবতীয় নেয়ামত সম্পর্কে জ্ঞাত করা হবে সে সব নেয়ামতকে চিনে বা মেনে নেবে। তখন তাকে বলা হবে: এসব নেয়ামতের পরিপ্রেক্ষিতে তুমি কি কি আমল করেছ? বলবে: আপনার তরে লড়াই-জিহাদ করেছি এবং শহীদ হয়ে গিয়েছি। বলা হবে: তুমি মিথ্যা বলছ। বরং তুমি লড়াই করেছ এজন্য যে, লোকেরা তোমাকে বীর-বাহাদুর বলবে। তাতো বলা হয়েছে। অত:পর তার ব্যাপারে রায় ঘোষণা করা হবে এবং তাকে চেহারার উপর ভর দিয়ে টেনে নিয়ে (যাওয়া হবে এবং) জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে। →দ্বিতীয় পর্যায়ে, আলেম ব্যক্তি যে নিজে দ্বীনী ইলম শিক্ষা গ্রহণ করেছে, অপরকে শিক্ষা দিয়েছে এবং কোরআন পড়েছে। তাকে উপস্থিত করা হবে এবং প্রদত্ত নেয়ামত সম্পর্কে জ্ঞাত করা হবে। সে সব নেয়ামত...

হকপন্থী দল কারা ?”

হকপন্থী দল কারা ?” সওবান (রাঃ) হ’তে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) হকপন্থী দল সম্পর্কে ভবিষ্যদ্বাণী করে বলেন, "চিরদিন আমার উম্মতের মধ্যে একটি দল হকের উপরে বিজয়ী থাকবে। পরিত্যাগকারীরা তাদের কোন ক্ষতি করতে পারবে না, এমতাবস্থায় ক্বিয়ামত এসে যাবে, অথচ তারা ঐভাবে থাকবে ।” (সহীহ মুসলিম ‘ইমারত’ অধ্যায়-৩৩, অনুচ্ছেদ-৫৩, হা/১৯২০; ফাৎহুল বারী হা/৭১ ‘ইল্ম’ অধ্যায় ও হা/৭৩১১-এর ভাষ্য ‘কিতাব ও সুন্নাহকে, ‘আঁকড়ে ধরা’ অধ্যায়; আলবানী, সিলসিলা ছহীহাহ হা/২৭০) ইমাম আহমাদ বিন হাম্বল (১৬৪-২৪১ হিঃ)-কে ‘ক্বিয়ামত পর্যন্ত হক-এর উপরে একটি দল টিকে থাকবে’ মর্মে বর্ণিত হাদীছের ব্যাখ্যা জানতে চাইলে তিনি দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলেন, -“তারা যদি ‘আহলে হাদীস’ না হয়। তাহ’লে আমি জানি না তারা কারা ?” (তিরমিযী হা/২১৯২; মিশকাত হা/৬২৮৩-এর ব্যাখ্যা; ফাৎহুল বারী ১৩/৩০৬ পৃঃ, হা/৭৩১১-এর ব্যাখ্যা; সিলসিলা ছহীহাহ হা/২৭০-এর ব্যাখ্যা; শারফু আসহাবিল হাদীস পৃঃ ১৫।) ইমাম আবু আব্দুল্লাহ আল-হাকিম(মৃঃ ৪০৫ হিঃ) বলেন, ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বল এই মন্তব্য করে ভালোই করেছেন যে, কিয়ামত পর্যন্ত টিকে থাকার সেই বিজয়ী দলটি হল ‘আসহাবুল হাদিস’। (ম...

ভ্রান্ত আলেম

ভ্রান্ত আলেম ভ্রান্ত আলেমঃ- নবি(স) বলেন,আমি আমার উম্মতের একটি বিষয়কে দজ্জালে চেয়ে ও বেশী ভয় করি। আমি ভয় পেয়ে জিজ্ঞেস করলাম, হে আল্লাহর রসুল সেটা কি? তিনি বল্লেন,বিপথগামী ও পথভ্রষ্ট আলেম(সহি মুসলিম:৬,৭ মুসনাদে আহমদ:২১৬২১,২১৬২২ তাবরানী:৭৬৫৩)। আলেমগন(ভাল) ইসলামের পাহরাদার বল্লেও, দুর্ভাগ্য যে বর্তমানে কিছু লোক (পীর নিয়ন্ত্রিত) মাদ্রাসায় সাজেশান পড়ে আলেম সার্টিফিকেট সংগ্রহ করে, কিন্তু তারা কুরআন সম্পূর্ণ পড়ে না,বিধায় আমাদের সমাজে পথভ্রষ্ট ও ভ্রান্ত আলেম বেড়ে গেছে। তাদের অজ্ঞতায় সৃজিত জাল-যঈফ হাদিসের জন্য সাধারণ মুসলিম শির্ক ও বিদাআত চিনতে পারছেন না। এরাই বর্তমানে বলে বেড়ায় "ধর্ম বুঝা কঠিন, মাদ্রাসা না পড়লে কোন ভাবেই ধর্ম জানা যায় না তারচে তারা যা বলে তা অন্ধ ভাবে অনুসরণ করতে"। প্রকৃত পক্ষে- এটি সহজ ও দলিল ভিত্তিক ধর্ম।এটা মানতে কুরআন ও সুন্নাহ(in to to) অনুসরণ করতে হয়। কোন পীর,ঈমাম কিংবা আলেম এর স্বপ্ন,ইচ্ছা,গনতন্ত্র, ভাল লাগা, না লাগার উপর ইসলাম নির্ভর করে না। আল্লাহ্‌ বলেন, আলেমদের অন্ধ অনুসরণ করা হারাম(সুরা নাহল:১৬/৪৩,সুর আ"রাফ:৭/৩, সুরা আহযাব:৩৩/৬৭) [Mahbubul ...