১. প্রশ্ন: আক্বীদা কাকে বলে?
উত্তর: আক্বীদা (عَقِيْدَةٌ) শব্দটি আরবী। এর মূল হচ্ছে-(عَقْدٌ)।
(عَقْدٌ)এর আভিধানিক অর্থ হচ্ছে- গিট দেওয়া, চুক্তি করা, প্রতিশ্রুতি দেওয়া, কোন বন্ধনকে মজবুত করা।
মূল শব্দ (عَقْدٌ) এর অনুসারে আক্বীদা (عَقِيْدَةٌ) অর্থ- দৃঢ় বিশ^াস।
আক্বীদা (عَقِيْدَةٌ) এর পারিভাষিক অর্থ- কোন ধর্ম, আদর্শ বা মতবাদকে মনে-প্রাণে দৃঢ়ভাবে বিশ^াস করাকে আক্বীদা বলে।
২. প্রশ্ন: ইসলামী আক্বীদা কাকে বলে?
উত্তর: আরকানুল ঈমান বা ঈমানের ভিত্তিসমূহের উপর দৃঢ় বিশ্বাস স্থাপন করাকে ইসলামী আক্বীদা বলে।
অর্থাৎ আল্লাহ তা’আলা, তাঁর ফেরেশতাগণ, তাঁর আসমানী কিতাবসমূহ, তাঁর প্রেরিত রসূলগণ (আলাইহিমুস্ সালাম), শেষ দিবস এবং ভাগ্যের ভাল-মন্দের প্রতি বিশ^াস স্থাপন করাকে ইসলামী শরী’আতের পরিভাষায় ইসলামী আক্বীদা বলা হয়। এগুলোকে আরকানুল ঈমান বা ঈমানের ভিত্তিও বলা হয়।
৩. প্রশ্ন: আক্বীদার উৎস কি?
উত্তর: আক্বীদার উৎস হলো কুরআন ও ছহীহ হাদীছ।
৪. প্রশ্ন: আক্বীদার আলোচ্য বিষয় কী?
উত্তর: ঈমান-ইসলাম, ঈমানের আরকান ও আহকাম, ঈমান রক্ষার উপায়, ঈমান ভঙ্গের কারণসমূহ এবং বিভিন্ন বাতিল ফিরকার ভ্রান্ত আক্বীদা ও মানহাজ।
৫. প্রশ্ন: আক্বীদার সমার্থক শব্দগুলো কী?
উত্তর: ঈমান, তাওহীদ, আস-সুন্নাহ, আশ-শারীআ’হ, উসূলুদ দ্বীন, আল-ফিক্হ ইত্যাদি।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন