💠 যারা জান্নাতুল ফিরদাউসের উত্তরাধিকারী হবে তাদের কিছু বৈশিষ্ট্য 💎
১. নিশ্চই মুসলিম পুরুষ, মুসলিম নারী,
২. মুমিন পুরুষ, মুমিন নারী,
৩. অনুগত পুরুষ, অনুগত নারী,
৪. সত্যবাদী পুরুষ,সত্যবাদী নারী,
৫. ধৈর্যশীল পুরুষ, ধৈর্যশীল নারী,
৬. বিনীত পুরুষ, বিনীত নারী,
৭. দানশীল পুরুষ, দানশীল নারী,
৮. সিয়াম পালনকারী পুরুষ, সিয়াম পালনকারী নারী,
৯. যৌনাঙ্গ হেফাজতকারী পুরুষ, যৌনাঙ্গ হেফাজতকারী নারী,
১০. আল্লাহর অধিক যিকিরকারী পুরুষ ও যিকিরকারী নারী।
এই সব লোকেদের জন্য আল্লাহ প্রস্তুত রেখেছেন ক্ষমা ও মহাপুরুস্কার (জান্নাত)। সূরা আহযাব (৩৩) :৩৫; ✳
.
১১. যারা সালাত আদায়কারী,
১২. যারা তাদের সালাতে সার্বক্ষণিক কায়েম থাকে,
১৩. আর যারা তাদের ধন-সম্পত্তিতে নির্দিষ্ট অধিকার রেখেছে। গরিব ও বঞ্চিতদের জন্য,
১৪. যারা প্রতিফল দিবসকে সত্য বলে বিশ্বাস করে,
১৫. যারা তাদের পালনকর্তার শাস্তির সম্পর্কে ভীত-কম্পিত,
১৬. যারা তাদের যৌনাঙ্গকে সংযত রাখে,
১৭. যারা তাদের আমানত ও অঙ্গীকার রক্ষা করে,
১৮. যারা তাদের সাক্ষ্যদানে সরল-নিষ্ঠাবান,
১৯. যারা তাদের সালাতে যত্নবান।
এই সব লোকেরাই থাকবে জান্নাতে পরম সম্মানিত অবস্থায়। সূরা মা'আরিজ (৭০) ২২--৩৫; ❇
.
২০. যারা পৃথিবীতে নম্রভাবে চলাফেরা করে, আর যখন অজ্ঞ লোকেরা তাদের সন্বোধন করে তখন বলে ''সালাম’’।
২১. আর যারা রাত কাটিয়ে দেয় তাদের রবের জন্য সিজদাবনত হয়ে ও দাঁড়িয়ে থেকে।
২২. আর যারা যখন খরচ করে তখন অমিতব্যয় করে না, আর কার্পণ্যও করে না, বরং তারা এই দুইয়ের মধ্যস্থলে কায়েম থাকে।
২৩. আর যারা আল্লাহর সঙ্গে অন্য ইলাহকে ডাকে না।
২৪. যারা যিনা করে না।
২৫. যারা তওবা করে এবং ঈমান আনে ও পুণ্য-পবিত্র ক্রিয়াকর্ম করে।
২৬. যারা মিথ্যার ব্যাপারে সাক্ষ্য দেয় না।
২৭. আর যখন তারা খেলো পরিবেশের পাশ দিয়ে যায় তখন তারা মর্যাদার সাথে পাশ কেটে যায়।
২৮. যখন তাদেরকে তাদের রবের নির্দেশ সমূহ স্মরণ করিয়ে দেয়া হয় তখন তারা তার উপরে ঝাঁপিয়ে পড়ে বধির ও অন্ধ সদৃশ না হয়ে।
এই সব লোকেদের প্রতিদান দেয়া হবে উচু পদমর্যাদা দিয়ে যেহেতু তারা অধ্যবসায় করেছিল, আর সেখানে তাদের অভ্যর্থনা করা হবে অভিবাদন ও সালাম জানিয়ে, সেখানে তারা স্থায়ীভাবে থাকবে, বিশ্রামস্থল ও বাসস্থান হিসাবে তা কতই না সুন্দর। সূরা ফুরকান (২৫) : ৬৩--৭৬; ✅
.
২৯. যারা স্বয়ং তাদের সালাতে বিনয়-নম্র হয়,
৩০. যারা অনর্থক কথা-বার্তায় থেকে সরে থাকে,
৩১. যারা তাদের স্বীয় সম্পদের যাকাত প্রদান করে,
৩২. যারা নিজেদের যৌনাঙ্গকে সংযত রাখে,
৩৩. আর যারা তাদের আমানত সম্মন্ধে সজাগ থাকে,
৩৪. যারা তাদের অংগীকার সম্মন্ধে সজাগ থাকে,
৩৫. আর যারা নিজেরা তাদের সালাত সন্বন্ধে সদা-যত্নবান।
এই সব লোকেরাই হবে পরম সেভাগ্যের অধিকারী, যারা উত্তরাধিকার করবে জান্নাতুল ফিরদাউস, তাতে তারা থাকবে স্থায়ীভাবে। সূরা মুমিনুন, (২৩) : ২--১১; আরোও দেখুন- সূরা কাহাফ (১৮) : ১০৭-০৮;
১. নিশ্চই মুসলিম পুরুষ, মুসলিম নারী,
২. মুমিন পুরুষ, মুমিন নারী,
৩. অনুগত পুরুষ, অনুগত নারী,
৪. সত্যবাদী পুরুষ,সত্যবাদী নারী,
৫. ধৈর্যশীল পুরুষ, ধৈর্যশীল নারী,
৬. বিনীত পুরুষ, বিনীত নারী,
৭. দানশীল পুরুষ, দানশীল নারী,
৮. সিয়াম পালনকারী পুরুষ, সিয়াম পালনকারী নারী,
৯. যৌনাঙ্গ হেফাজতকারী পুরুষ, যৌনাঙ্গ হেফাজতকারী নারী,
১০. আল্লাহর অধিক যিকিরকারী পুরুষ ও যিকিরকারী নারী।
এই সব লোকেদের জন্য আল্লাহ প্রস্তুত রেখেছেন ক্ষমা ও মহাপুরুস্কার (জান্নাত)। সূরা আহযাব (৩৩) :৩৫; ✳
.
১১. যারা সালাত আদায়কারী,
১২. যারা তাদের সালাতে সার্বক্ষণিক কায়েম থাকে,
১৩. আর যারা তাদের ধন-সম্পত্তিতে নির্দিষ্ট অধিকার রেখেছে। গরিব ও বঞ্চিতদের জন্য,
১৪. যারা প্রতিফল দিবসকে সত্য বলে বিশ্বাস করে,
১৫. যারা তাদের পালনকর্তার শাস্তির সম্পর্কে ভীত-কম্পিত,
১৬. যারা তাদের যৌনাঙ্গকে সংযত রাখে,
১৭. যারা তাদের আমানত ও অঙ্গীকার রক্ষা করে,
১৮. যারা তাদের সাক্ষ্যদানে সরল-নিষ্ঠাবান,
১৯. যারা তাদের সালাতে যত্নবান।
এই সব লোকেরাই থাকবে জান্নাতে পরম সম্মানিত অবস্থায়। সূরা মা'আরিজ (৭০) ২২--৩৫; ❇
.
২০. যারা পৃথিবীতে নম্রভাবে চলাফেরা করে, আর যখন অজ্ঞ লোকেরা তাদের সন্বোধন করে তখন বলে ''সালাম’’।
২১. আর যারা রাত কাটিয়ে দেয় তাদের রবের জন্য সিজদাবনত হয়ে ও দাঁড়িয়ে থেকে।
২২. আর যারা যখন খরচ করে তখন অমিতব্যয় করে না, আর কার্পণ্যও করে না, বরং তারা এই দুইয়ের মধ্যস্থলে কায়েম থাকে।
২৩. আর যারা আল্লাহর সঙ্গে অন্য ইলাহকে ডাকে না।
২৪. যারা যিনা করে না।
২৫. যারা তওবা করে এবং ঈমান আনে ও পুণ্য-পবিত্র ক্রিয়াকর্ম করে।
২৬. যারা মিথ্যার ব্যাপারে সাক্ষ্য দেয় না।
২৭. আর যখন তারা খেলো পরিবেশের পাশ দিয়ে যায় তখন তারা মর্যাদার সাথে পাশ কেটে যায়।
২৮. যখন তাদেরকে তাদের রবের নির্দেশ সমূহ স্মরণ করিয়ে দেয়া হয় তখন তারা তার উপরে ঝাঁপিয়ে পড়ে বধির ও অন্ধ সদৃশ না হয়ে।
এই সব লোকেদের প্রতিদান দেয়া হবে উচু পদমর্যাদা দিয়ে যেহেতু তারা অধ্যবসায় করেছিল, আর সেখানে তাদের অভ্যর্থনা করা হবে অভিবাদন ও সালাম জানিয়ে, সেখানে তারা স্থায়ীভাবে থাকবে, বিশ্রামস্থল ও বাসস্থান হিসাবে তা কতই না সুন্দর। সূরা ফুরকান (২৫) : ৬৩--৭৬; ✅
.
২৯. যারা স্বয়ং তাদের সালাতে বিনয়-নম্র হয়,
৩০. যারা অনর্থক কথা-বার্তায় থেকে সরে থাকে,
৩১. যারা তাদের স্বীয় সম্পদের যাকাত প্রদান করে,
৩২. যারা নিজেদের যৌনাঙ্গকে সংযত রাখে,
৩৩. আর যারা তাদের আমানত সম্মন্ধে সজাগ থাকে,
৩৪. যারা তাদের অংগীকার সম্মন্ধে সজাগ থাকে,
৩৫. আর যারা নিজেরা তাদের সালাত সন্বন্ধে সদা-যত্নবান।
এই সব লোকেরাই হবে পরম সেভাগ্যের অধিকারী, যারা উত্তরাধিকার করবে জান্নাতুল ফিরদাউস, তাতে তারা থাকবে স্থায়ীভাবে। সূরা মুমিনুন, (২৩) : ২--১১; আরোও দেখুন- সূরা কাহাফ (১৮) : ১০৭-০৮;
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন