সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

সালাফী

🌹লামাযাবী 🌹আহলে হাদিস 🌹সালাফী 🌹ওহাবী 🌹
এদের কে আমরা ব্যঙ্গ করে বলি,এরা
🌹ইয়াহুদির দালাল। 🌹আমেরিকার দালাল। 🌹মুসলিমদের ভাগকারী। 🌹ফিতনাকারী।
🌹মাযহাব মানে না।
আগে আসুন আমরা সত্যটা জানি। তারপর বিচার করি
🎾বেয়াদব লামাযাবী/ওহাবীরার , আহলে হাদিসের দোষ / গুন গুলো কি কি?

☑ওরা আল্লাহ ও নাবী(স:)কে মানে।
কারণ-- 📖 সুরা মুহাম্মদ:৩৩, হাশর:৭
☑ওরা কুরআন ও সহি হাদিস মানে।
কারণ-- 📖 সুরা মুহাম্মদ:৩৩
☑ওরা সহিহ আকিদার।
কারণ-- 📖 ওসব সুন্নাহ
☑ওরা বলে আমরা মুসলিম।
কারণ-- 📖 সুরা হাজ্জ:৭৮
☑ওরা আমিন জোড়ে বলে।
কারণ-- 📖 আবু দাউদ:৯৩২,৯৩৩, ৯৭২ ,তিরমিঝি:২৪৮,বুখারী:৭৮০, ৭৮২,
☑ওরা সুরা ফাতেহা পড়ে।
কারণ-- 📖 তিরমিঝি, নাসাঈ, বুখারী, মুসলিম,ইবনে মাজাহ,আবু দাউদ:৮২৩।
☑ওরা রাফল ঈয়াদাইন করে।
কারণ-- 📖 বুখারী:৭৩৫, ৭৩৬, ৭৩৮, ৭৩৯, মুসলিম:৮৮৭, ৮৮৮, ৮৮৯, ৮৯০,৮৯১ আবু দাউদ:৭৪৪, মিশকাত:৭৯৪, ৭৯৫।
☑ওরা বুকে হাত বাধে।
কারণ-- 📖 বুখারী:৭৪০, মুসলিম:৯২৩, মিশকাত:৭৯৮
☑ওরা সালাত যত্নসহ পড়ে।
কারণ- 📖 সুরা মা'আরিজ: ৩৪-৩৫)
☑ওরা আট রাকাত তারাবী পড়ে।
কারণ-- 📖 বুখারী, অ:তাহাজ্জুদ: ১১৪৭)
☑ওরা এক/তিন রাকাত বিতর পড়ে।
কারণ- 📖 বুখারী:৯৯৫, মুসলিম:১৭৯৭, তিরমিযী:৪৬১; ইবনু মাজাহ:১১৭৪
☑ওরা বুঝে ইসলাম পালন করে।
কারণ-- 📖 সুরা আরাফ:৩,আযহাব:৬৭
☑ওরা হক ও সত্য কথা বলে।
☑ওরা অমুসলিমকে দাওয়াত দেয়।
☑ওরা মাইর খায় জাহেলের কাছে।
☑ওরা মুখের সাথে চলে না।
☑ওরা কুরআন ও হাদিস বুঝে পড়ে ও পালন করে।
কারণ-- 📖 কামার:১৭ ২২,বাকারা:২০৮
☑ওরা আল্লাহর রাস্তায় জীবন দানককারী।
---------------------------------------------
❌ওরা কবরপুজা করে না,
❌ওরা মাযারপুজা করে না,
❌ওরা পীরপুজা করে না ,
❌ওরা পীর ধড়ে না,মুরিদ হয় না,
❌ওরা শিরক করে না,
❌ওরা মিলাদ পড়ে না,
❌ওরা তাকলিদ করে না,
❌ওরা সবে-বরাতপালন করে না,
❌ওরা সম্মিলিত মুনাজাত করে না,
❌ওরা কবরে ফুল দেয় না,
❌ওরা মুর্তি পুজা করে না,
❌ওরা মিলাদুন্নবী করে না,
❌ওরা ভোট দেয় না,
❌ওরা গনতন্ত্র মানে না,
❌ওরা অন্ধ অনুসবরন করে না,
❌ওরা শহিদ মিনারে ফুল দেয় না,
❌ওরা গনকের কাছে যায় না,
❌ওরা দলিল না পেলে ইবাদত করে না
❌ওরা বাপ-দাদার ধর্ম পালন করে না,
❌ওরা জাহেলের মত কথা বলে না,
❌ওরা কোন দেশ/জাতির ধর্ম মানে না
❌ওরা কুর আন পড়ে টাকা খায় না।
❌ওরা চল্লিশা করে না।
❌ওরা শিরক/বিদাত করে না।
--------------------------------
ওরা অমুসলিম কি❓
ওরা ইসলামের শত্রু কি❓
ওরা কাফের কি❓
ওরা কি বলে কার কথা বলে❓
ওরা বাইবেল গিতা রামায়ন পড়ে কথা বলে কি❓
ওরা সুদ,ঘুষ,গিবত,মিথ্যা,
অহংকার,জেনা করে কি❓
ওরা নবী রাসুল মানে কি❓
ওরা কুরআন হাদিস মানে কি❓
ওরা সহীহ আমল করে এটাই কি ওদের অপরাধ❓
ওদের হদস বলা...
ওদের লা মাঝহাবী বলা....
ওদের টাট্টা বিদ্রোপ করা.....
ওদের উপহাস করা............. ইত্যাদি।আমাদের পেশায় পরিণত হয়েছে।যা আমাদের মুসলিমদের জন্য অপমানজনক।

যারা কটাক্ষ করে তাদের জন্য > (সুরা আল হুজরাত:১১)

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

তিন শ্রেণীর লোক দ্বারা সর্বপ্রথম জাহান্নাম উদ্বোধন

♪♪তিন শ্রেণীর লোক দ্বারা সর্বপ্রথম জাহান্নাম উদ্বোধন করা হবে। যথাঃ (ক) শহীদ। (খ) আলেম এবং (গ) দানবীর। ★হাদিস: তিন শ্রেণীর লোক সর্বপ্রথম জাহান্নামে যাবেঃ প্রখ্যাত সাহাবী আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে ইরশাদ করতে শুনেছি, নবীজী বলেন:কেয়ামতের দিন সর্বপ্রথম যাদের বিচার করা হবে, শাহাদত বরণকারী একজন লোক, তাকে উপস্থিত করা হবে এবং আল্লাহ প্রদত্ত্ব যাবতীয় নেয়ামত সম্পর্কে জ্ঞাত করা হবে সে সব নেয়ামতকে চিনে বা মেনে নেবে। তখন তাকে বলা হবে: এসব নেয়ামতের পরিপ্রেক্ষিতে তুমি কি কি আমল করেছ? বলবে: আপনার তরে লড়াই-জিহাদ করেছি এবং শহীদ হয়ে গিয়েছি। বলা হবে: তুমি মিথ্যা বলছ। বরং তুমি লড়াই করেছ এজন্য যে, লোকেরা তোমাকে বীর-বাহাদুর বলবে। তাতো বলা হয়েছে। অত:পর তার ব্যাপারে রায় ঘোষণা করা হবে এবং তাকে চেহারার উপর ভর দিয়ে টেনে নিয়ে (যাওয়া হবে এবং) জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে। →দ্বিতীয় পর্যায়ে, আলেম ব্যক্তি যে নিজে দ্বীনী ইলম শিক্ষা গ্রহণ করেছে, অপরকে শিক্ষা দিয়েছে এবং কোরআন পড়েছে। তাকে উপস্থিত করা হবে এবং প্রদত্ত নেয়ামত সম্পর্কে জ্ঞাত করা হবে। সে সব নেয়ামত...

ভ্রান্ত আলেম

ভ্রান্ত আলেম ভ্রান্ত আলেমঃ- নবি(স) বলেন,আমি আমার উম্মতের একটি বিষয়কে দজ্জালে চেয়ে ও বেশী ভয় করি। আমি ভয় পেয়ে জিজ্ঞেস করলাম, হে আল্লাহর রসুল সেটা কি? তিনি বল্লেন,বিপথগামী ও পথভ্রষ্ট আলেম(সহি মুসলিম:৬,৭ মুসনাদে আহমদ:২১৬২১,২১৬২২ তাবরানী:৭৬৫৩)। আলেমগন(ভাল) ইসলামের পাহরাদার বল্লেও, দুর্ভাগ্য যে বর্তমানে কিছু লোক (পীর নিয়ন্ত্রিত) মাদ্রাসায় সাজেশান পড়ে আলেম সার্টিফিকেট সংগ্রহ করে, কিন্তু তারা কুরআন সম্পূর্ণ পড়ে না,বিধায় আমাদের সমাজে পথভ্রষ্ট ও ভ্রান্ত আলেম বেড়ে গেছে। তাদের অজ্ঞতায় সৃজিত জাল-যঈফ হাদিসের জন্য সাধারণ মুসলিম শির্ক ও বিদাআত চিনতে পারছেন না। এরাই বর্তমানে বলে বেড়ায় "ধর্ম বুঝা কঠিন, মাদ্রাসা না পড়লে কোন ভাবেই ধর্ম জানা যায় না তারচে তারা যা বলে তা অন্ধ ভাবে অনুসরণ করতে"। প্রকৃত পক্ষে- এটি সহজ ও দলিল ভিত্তিক ধর্ম।এটা মানতে কুরআন ও সুন্নাহ(in to to) অনুসরণ করতে হয়। কোন পীর,ঈমাম কিংবা আলেম এর স্বপ্ন,ইচ্ছা,গনতন্ত্র, ভাল লাগা, না লাগার উপর ইসলাম নির্ভর করে না। আল্লাহ্‌ বলেন, আলেমদের অন্ধ অনুসরণ করা হারাম(সুরা নাহল:১৬/৪৩,সুর আ"রাফ:৭/৩, সুরা আহযাব:৩৩/৬৭) [Mahbubul ...

হকপন্থী দল কারা ?”

হকপন্থী দল কারা ?” সওবান (রাঃ) হ’তে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) হকপন্থী দল সম্পর্কে ভবিষ্যদ্বাণী করে বলেন, "চিরদিন আমার উম্মতের মধ্যে একটি দল হকের উপরে বিজয়ী থাকবে। পরিত্যাগকারীরা তাদের কোন ক্ষতি করতে পারবে না, এমতাবস্থায় ক্বিয়ামত এসে যাবে, অথচ তারা ঐভাবে থাকবে ।” (সহীহ মুসলিম ‘ইমারত’ অধ্যায়-৩৩, অনুচ্ছেদ-৫৩, হা/১৯২০; ফাৎহুল বারী হা/৭১ ‘ইল্ম’ অধ্যায় ও হা/৭৩১১-এর ভাষ্য ‘কিতাব ও সুন্নাহকে, ‘আঁকড়ে ধরা’ অধ্যায়; আলবানী, সিলসিলা ছহীহাহ হা/২৭০) ইমাম আহমাদ বিন হাম্বল (১৬৪-২৪১ হিঃ)-কে ‘ক্বিয়ামত পর্যন্ত হক-এর উপরে একটি দল টিকে থাকবে’ মর্মে বর্ণিত হাদীছের ব্যাখ্যা জানতে চাইলে তিনি দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলেন, -“তারা যদি ‘আহলে হাদীস’ না হয়। তাহ’লে আমি জানি না তারা কারা ?” (তিরমিযী হা/২১৯২; মিশকাত হা/৬২৮৩-এর ব্যাখ্যা; ফাৎহুল বারী ১৩/৩০৬ পৃঃ, হা/৭৩১১-এর ব্যাখ্যা; সিলসিলা ছহীহাহ হা/২৭০-এর ব্যাখ্যা; শারফু আসহাবিল হাদীস পৃঃ ১৫।) ইমাম আবু আব্দুল্লাহ আল-হাকিম(মৃঃ ৪০৫ হিঃ) বলেন, ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বল এই মন্তব্য করে ভালোই করেছেন যে, কিয়ামত পর্যন্ত টিকে থাকার সেই বিজয়ী দলটি হল ‘আসহাবুল হাদিস’। (ম...