রুকু পেলে রাকাত হবে 👇🏿👇🏿👇🏿সহীহ বুখারী(তাও)অধ্যায়:আযান হাদীস নাম্বার ৭৮৩
مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ قَالَ حَدَّثَنَا هَمَّامٌ عَنِ الْأَعْلَمِ وَهُوَ زِيَادٌ عَنِ الْحَسَنِ عَنْ أَبِي بَكْرَةَ أَنَّهُ انْتَهَى إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ رَاكِعٌ فَرَكَعَ قَبْلَ أَنْ يَصِلَ إِلَى الصَّفِّ فَذَكَرَ ذَلِكَ لِلنَّبِيِّ فَقَالَ زَادَكَ اللهُ حِرْصًا وَلاَ تَعُدْ.
৭৮৩. আবূ বাকরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, তিনি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট এমন অবস্থায় পৌঁছলেন যে, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন রুকূ‘তে ছিলেন। তখন কাতার পর্যন্ত পৌঁছার পূর্বেই তিনি রুকূ‘তে চলে যান। এ ঘটনা নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট ব্যক্ত করা হলে, তিনি বললেন, আল্লাহ্ তা‘আলা তোমার আগ্রহকে আরও বাড়িয়ে দিন। তবে এ রকম আর করবে না। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৭৩৯, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৭৪৭)
সূরা ফাতিহা না পড়লে যদি সলাত না হয়, তাহলে রুকু পেলে রাকআত গণ্য হয় কীভাবে?
প্রত্যেক বিষয়ের ব্যাতিক্রম অবস্থা থাকে। রুকু পেলে রাকাআত গণ্য হওয়ার ব্যাপারটাও সেই রকম। কিয়াম সলাতের রুকন। কিন্তু অসুবিধার ক্ষেত্রে কিয়াম ছাড়া সলাত হয়ে যায়। আবূ বাকরাহ (রাঃ) একদা মসজিদে প্রবেশ করতেই দেখলেন, নবী (সাঃ) রুকুতে চলে গেছেন। তিনি তারাহুড়ো করে কাতারে শামিল হওয়ার আগেই রুকু করলেন। অতঃপর রুকুর অবস্থায় চলতে চলতে কাতারে গিয়ে শামিল হলেন। এ কথা নবী (সঃ) কে বলা হলে তিনি তাঁর উদ্দেশ্যে বললেন, “আল্লাহ তোমার আগ্রহ আর বৃদ্ধি করুক। আর তুমি দ্বিতীয় বার এমনটি করো না। (অথবা আর তুমি ছুটে এসো না। অথবা তুমি নামায ফিরিয়ে পড়ো না।)”
১৬৯ (বুখারী, আবূ দাঊদ, মিশকাত ১১১০ নং )
مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ قَالَ حَدَّثَنَا هَمَّامٌ عَنِ الْأَعْلَمِ وَهُوَ زِيَادٌ عَنِ الْحَسَنِ عَنْ أَبِي بَكْرَةَ أَنَّهُ انْتَهَى إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ رَاكِعٌ فَرَكَعَ قَبْلَ أَنْ يَصِلَ إِلَى الصَّفِّ فَذَكَرَ ذَلِكَ لِلنَّبِيِّ فَقَالَ زَادَكَ اللهُ حِرْصًا وَلاَ تَعُدْ.
৭৮৩. আবূ বাকরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, তিনি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট এমন অবস্থায় পৌঁছলেন যে, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন রুকূ‘তে ছিলেন। তখন কাতার পর্যন্ত পৌঁছার পূর্বেই তিনি রুকূ‘তে চলে যান। এ ঘটনা নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট ব্যক্ত করা হলে, তিনি বললেন, আল্লাহ্ তা‘আলা তোমার আগ্রহকে আরও বাড়িয়ে দিন। তবে এ রকম আর করবে না। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৭৩৯, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৭৪৭)
সূরা ফাতিহা না পড়লে যদি সলাত না হয়, তাহলে রুকু পেলে রাকআত গণ্য হয় কীভাবে?
প্রত্যেক বিষয়ের ব্যাতিক্রম অবস্থা থাকে। রুকু পেলে রাকাআত গণ্য হওয়ার ব্যাপারটাও সেই রকম। কিয়াম সলাতের রুকন। কিন্তু অসুবিধার ক্ষেত্রে কিয়াম ছাড়া সলাত হয়ে যায়। আবূ বাকরাহ (রাঃ) একদা মসজিদে প্রবেশ করতেই দেখলেন, নবী (সাঃ) রুকুতে চলে গেছেন। তিনি তারাহুড়ো করে কাতারে শামিল হওয়ার আগেই রুকু করলেন। অতঃপর রুকুর অবস্থায় চলতে চলতে কাতারে গিয়ে শামিল হলেন। এ কথা নবী (সঃ) কে বলা হলে তিনি তাঁর উদ্দেশ্যে বললেন, “আল্লাহ তোমার আগ্রহ আর বৃদ্ধি করুক। আর তুমি দ্বিতীয় বার এমনটি করো না। (অথবা আর তুমি ছুটে এসো না। অথবা তুমি নামায ফিরিয়ে পড়ো না।)”
১৬৯ (বুখারী, আবূ দাঊদ, মিশকাত ১১১০ নং )
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন