কথা-কাজের অমিল !
: মুসলিমের বৈশিষ্ট্য হ’ল কথা ও কাজে মিল থাকা। কথা-কর্মে মিল না থাকলে সে সমাজের কাছে গ্রহণযোগ্য হয় না। কেউ তাকে বিশ্বাস করে না এবং মূল্য দেয় না। যার কথা ও কাজের মিল নেই সে সবার কাছে ঘৃণিত ব্যক্তি।
কথা ও কাজের অমিলকে আল্লাহ তা‘আলা খুবই অপসন্দ করেন। পবিত্র কুরআন মাজীদে আল্লাহ তা‘আলা বলেন, يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آَمَنُوا لِمَ تَقُولُونَ مَا لَا تَفْعَلُونَ، كَبُرَ مَقْتاً عِندَ اللهِ أَن تَقُولُوا مَا لَا تَفْعَلُونَ- ‘হে মুমিনগণ! তোমরা যা কর না তা কেন বল? তোমরা যা কর না, তা বলা আল্লাহর কাছে খুবই অসন্তোষজনক’ (ছফ ৬১/২-৩)।
ওসামা বিন যায়েদ (রাঃ) বলেন, রাসূল (ছাঃ) বলেছেন,
يُجَاءُ بِالرَّجُلِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ فَيُلْقَى فِى النَّارِ، فَتَنْدَلِقُ أَقْتَابُهُ فِى النَّارِ، فَيَطْحَنُ فِيْهَا كَطَحْنِ الْحِمَارِ بِرَحَاهُ، فَيَجْتَمِعُ أَهْلُ النَّارِ عَلَيْهِ، فَيَقُولُونَ أَىْ فُلاَنُ، مَا شَأْنُكَ أَلَيْسَ كُنْتَ تَأْمُرُنَا بِالْمَعْرُوفِ وَتَنْهَى عَنِ الْمُنْكَرِ قَالَ كُنْتُ آمُرُكُمْ بِالْمَعْرُوْفِ وَلاَ آتِيهِ، وَأَنْهَاكُمْ عَنِ الْمُنْكَرِ وَآتِيهِ–
‘এক ব্যক্তিকে ক্বিয়ামতের দিন নিয়ে আসা হবে। তারপর তাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে। এতে করে তার নাড়িভুঁড়ি দ্রুত বের হয়ে যাবে। অতঃপর সে সেখানে ঘুরতে থাকবে, যেমনভাবে গাধা (আটা পেষা) জাঁতার সাথে ঘুরতে থাকে। জাহান্নামীরা তার নিকট একত্রিত হয়ে তাকে জিজ্ঞেস করবে, হে অমুক ব্যক্তি! তোমার কি অবস্থা? তুমি কি আমাদেরকে ভাল কাজের আদেশ এবং মন্দ কাজ হ’তে নিষেধ করতে না? সে বলবে, হ্যাঁ আমি তোমাদেরকে ভাল কাজ করতে আদেশ করতাম, কিন্তু নিজেই তা করতাম না। আর খারাপ কাজ হ’তে নিষেধ করতাম, কিন্তু আমি নিজেই তা করতাম’।[বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/৫১৩৯; বঙ্গানুবাদ মিশকাত, ৯ম খন্ড, হা/৪৯১২ ‘শিষ্টাচার’ অধ্যায়, ‘ভাল কাজের নির্দেশ’ অনুচ্ছেদ।]
: মুসলিমের বৈশিষ্ট্য হ’ল কথা ও কাজে মিল থাকা। কথা-কর্মে মিল না থাকলে সে সমাজের কাছে গ্রহণযোগ্য হয় না। কেউ তাকে বিশ্বাস করে না এবং মূল্য দেয় না। যার কথা ও কাজের মিল নেই সে সবার কাছে ঘৃণিত ব্যক্তি।
কথা ও কাজের অমিলকে আল্লাহ তা‘আলা খুবই অপসন্দ করেন। পবিত্র কুরআন মাজীদে আল্লাহ তা‘আলা বলেন, يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آَمَنُوا لِمَ تَقُولُونَ مَا لَا تَفْعَلُونَ، كَبُرَ مَقْتاً عِندَ اللهِ أَن تَقُولُوا مَا لَا تَفْعَلُونَ- ‘হে মুমিনগণ! তোমরা যা কর না তা কেন বল? তোমরা যা কর না, তা বলা আল্লাহর কাছে খুবই অসন্তোষজনক’ (ছফ ৬১/২-৩)।
ওসামা বিন যায়েদ (রাঃ) বলেন, রাসূল (ছাঃ) বলেছেন,
يُجَاءُ بِالرَّجُلِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ فَيُلْقَى فِى النَّارِ، فَتَنْدَلِقُ أَقْتَابُهُ فِى النَّارِ، فَيَطْحَنُ فِيْهَا كَطَحْنِ الْحِمَارِ بِرَحَاهُ، فَيَجْتَمِعُ أَهْلُ النَّارِ عَلَيْهِ، فَيَقُولُونَ أَىْ فُلاَنُ، مَا شَأْنُكَ أَلَيْسَ كُنْتَ تَأْمُرُنَا بِالْمَعْرُوفِ وَتَنْهَى عَنِ الْمُنْكَرِ قَالَ كُنْتُ آمُرُكُمْ بِالْمَعْرُوْفِ وَلاَ آتِيهِ، وَأَنْهَاكُمْ عَنِ الْمُنْكَرِ وَآتِيهِ–
‘এক ব্যক্তিকে ক্বিয়ামতের দিন নিয়ে আসা হবে। তারপর তাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে। এতে করে তার নাড়িভুঁড়ি দ্রুত বের হয়ে যাবে। অতঃপর সে সেখানে ঘুরতে থাকবে, যেমনভাবে গাধা (আটা পেষা) জাঁতার সাথে ঘুরতে থাকে। জাহান্নামীরা তার নিকট একত্রিত হয়ে তাকে জিজ্ঞেস করবে, হে অমুক ব্যক্তি! তোমার কি অবস্থা? তুমি কি আমাদেরকে ভাল কাজের আদেশ এবং মন্দ কাজ হ’তে নিষেধ করতে না? সে বলবে, হ্যাঁ আমি তোমাদেরকে ভাল কাজ করতে আদেশ করতাম, কিন্তু নিজেই তা করতাম না। আর খারাপ কাজ হ’তে নিষেধ করতাম, কিন্তু আমি নিজেই তা করতাম’।[বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/৫১৩৯; বঙ্গানুবাদ মিশকাত, ৯ম খন্ড, হা/৪৯১২ ‘শিষ্টাচার’ অধ্যায়, ‘ভাল কাজের নির্দেশ’ অনুচ্ছেদ।]
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন