সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

দাম্পত্য জিবনে স্ত্রির করনিয়

<-------"দাম্পত্য জীবনে স্ত্রীর করণীয়"------->
১/ স্বামীকে প্রাণ খুলে ভালবাসা।
২/ স্বামীর প্রতি যথাযথ ভক্তি-শ্রদ্ধা রাখা।
৩/স্বামীর আদেশ-নিষেধের প্রতি যত্নবান
হওয়া।
৪/স্বামীর সাথে সুমিষ্ট ভাষায় কথা বলা।
৫/ স্বামীকে নিজের মনের কথা খুলে বলা।
৬/ স্বামীর সব ধরনের আমানত রক্ষা করা।
৭/ স্বামীর সুখে সুখী আর স্বামীর দুঃখে
দুঃখী হওয়া।
৮/ নিজ সাজগোজ ও পরিচ্ছন্নতার দ্বারা
স্বামীর মন জয় করা।
৯/ স্বামীকে সান্তনা দেওয়া।
১০/ সংসার চালানোর ক্ষেত্রে স্বামীকে
সহযোগিতা করা।
১১/ স্বামীকে সুপরামর্শ দেওয়া।
১২/ স্বামীর ডাকে সাড়া দেওয়া।
১৩/ স্বামীর সম্পদের হেফাজত করা।
১৪/ স্বামীর অনুমতি ছাড়া কোন কাজ না
করা।
১৫/ স্বামীর কল্যাণের জন্য আল্লাহর কাছে
দোয়া করা।
১৬/ স্বামীর কোন বদ অভ্যাস থাকলে
হেকমতের সাথে তা দূর করা।
১৭/ স্বামীর কাছে কোন কিছু লুকিয়ে না
রাখা।
১৮/ স্বামীকে নিজ অভিভাবক মনে করা।
১৯/ স্বামীর গুণাবলীর প্রশংসা করা।
২০/ স্বামী কোন কাজে বের হলে হাসিমুখে
বিদায় দেওয়া।
২১/ স্বামী বাহির থেকে ঘরে আসলে
হাসিমুখে বরণ করা।
২২/ স্বামীর জন্য সময়মত খানাপিনা ও
বিশ্রামের ব্যবস্থা করা।
২৩/স্বামীর জন্য নিজ হাতে নাস্তা তৈরি
করা।
২৪/ প্রাণখুলে স্বামীর সেবা করা।
২৫/ স্বামীর সামর্থ্য হবেনা এমন কোন
জিনিসের জন্য স্বামীকে আবদার না করা।
২৬/ স্বামীর কোন কিছুকে ঘৃনা না করা।
২৭/ স্বামীর সাথে জেদাজেদি না করা।
২৮/ স্বামীর কোন কথা খারাপ লাগলে সেটা
নিয়ে তর্ক না করা।
২৯/ স্বামীকে অহেতুক সন্দেহ না করা।
৩০/ স্বামী যদি খারাপ পথে চলে তাহলে
কৌশলে ভাল পথে আনার চেষ্টা করা।
৩১/ স্বামীর সাথে কোন অন্যায় করে ফেললে সাথে সাথে ক্ষমা চেয়ে নেওয়া।
৩২/ স্বামী নিজ সাধ্যমত যা খাওয়াতে বা
পড়াতে পারে তার উপর সন্তুষ্ট থাকা।
৩৩/ স্বামীকে দ্বীনি পরিবেশে রাখার
চেষ্টা করা।
৩৪/ স্বামী বিরক্তবোধ করে এমন কোন কাজ না করা।
৩৫/ স্বামী কাজ থেকে ফিরতে দেরি হলে
খোজখবর নেওয়া।
৩৬/ স্বামীর জরুরী জিনিসপত্র গুছিয়ে রাখা।
৩৭/ স্বামী কোথাও বের হওয়ার সময় সাথে
যা নিবে তা ঠিক করে রাখা।
৩৮/ স্বামীর কাপড়-ছোপড় পরিস্কার আছে
কিনা, কখন কোন কাপড় পরিধান করবে সেটা আগ থেকেই প্রস্তুত রাখা।
৩৯/ কারো কাছে ভুলেও স্বামীর দূর্নাম বা
অভিযোগ না করা।
৪০/ কোন কারণে স্বামী রাগ করলে সে সময় পাল্টা কোন কথা না বলা।
বিঃ দ্রঃ - সংসার সুন্দর করতে হলে এবং
দাম্পত্য জীবন সুখী করতে হলে স্বামীকেও
অনেক নিয়ম-নীতি মেনে চলতে হয়। তবে
সংসার সুখী করণে সর্বাবস্থায় স্ত্রীর
ভূমিকাই বেশি।

স্বামীর ভালবাসা ও প্রীতি অর্জন
করার জন্য মুসলিম নারীদেরকে কিছু
মূল্যবান উপদেশঃ
(১) বিভিন্ন উপলক্ষে স্বামীর হাতে,
কপালে চুম্বন করা।
(২) স্বামী বাইরে থেকে এলে সাথে
সাথে স্বাগতম জানানোর জন্য দরজায়
এগিয়ে আসা। তার হাতে কোন বস্তু
থাকলে তা নিজের হাতে নেয়ার
চেষ্টা করা।
(৩) সময় ও মেজাজ বুঝে স্বামীর সামনে
প্রেম-ভালবাসা মিশ্রিত বাক্যালাপ
করা। তার সামনে তার প্রশংসা করা।
সম্মান ও শ্রদ্ধা মূলক আচরণ করা।
(৪) স্বামীর পোশাক-আশাকের
পরিচ্ছন্নতার প্রতি বিশেষ খেয়াল
রাখা। (পরিচ্ছন্ন পুরুষ মানেই তার স্ত্রী
পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন)। রান্নার ক্ষেত্রে
স্বামী যা পছন্দ করেন তা নিজ হাতে
প্রস্তুত করতে সচেষ্ট থাকা।
(৫) সর্বদা স্বামীর সামনে হাসি মুখে
থাকা।
(৬) স্বামীর জন্য নিজেকে সুসজ্জিত
রাখা। শরীরে দুর্গন্ধ থাকলে বা
রান্না ঘরের পোষাকে তার সম্মুখে
না যাওয়া। মাসিক ঋতুর সময়ও সুসজ্জিত
অবস্থায় থাকা।
(৭) স্বামীর সামনে কখনই নিজের
কন্ঠকে উঁচু না করা। নারীর সৌন্দর্য
তার নম্র কন্ঠে।
(৮) সন্তানদের সামনে স্বামীর প্রশংসা
ও গুণগান করা।
(৯) নিজের এবং স্বামীর পিতা-
মাতা, ভাই-বোন ও আত্মীয়-স্বজনদের
সামনে আল্লাহর কৃতজ্ঞতার সাথে
সাথে স্বামীর প্রশংসা করা ও তার
শ্রেষ্ঠত্ব তুলে ধরা। কখনই তার বিরুদ্ধে
তাদের নিকট অভিযোগ না করা।
(১০) সুযোগ বুঝে স্বামীকে নিজ হাতে
লোকমা তুলে খাওয়ানো।
(১১) কখনো স্বামীর আভ্যন্তরীন গোপন
বিষয় অনুসন্ধান না করা। কেননা পবিত্র
কুরআনের সুরা হুজুরাতের ১৩নং আয়াতে
আল্লাহ্ বলেন, তোমরা কারো গোপন
বিষয় অনুসন্ধান কর না।” আর নবী
(ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
বলেন, তোমরা কারো প্রতি কুধারণা
থেকে বেঁচে থাক। কেননা ধারণা
সবচেয়ে বড় মিথ্যা।”
(১২) স্বামী কখনো রাগান্বিত হলে চুপ
থাকার চেষ্টা করা। সম্ভব হলে তার
রাগ থামানোর চেষ্টা করা। যদি সে
নাহক রেগে থাকে তবে অন্য সময় তার
মেজাজ বুঝে সমঝোতার ব্যবস্থা করা।
(১৩) স্বামীর মাতাকে নিজের পক্ষ
থেকে (সাধ্যানুযায়ী) কিছু হাদিয়া-
উপহার প্রদান করা।
(১৪) সম্পদশালী হয়ে থাকলে স্বামীর
অভাব অনটনের সময় তাকে সহযোগিতা
করা।
(১৫) স্বামীর অনুমতি ছাড়া; কখনই নিজ
গৃহ থেকে বের না হওয়া।
(১৬) স্বামীর নির্দেশ পালন, তার এবং
তার সংসারের খেদমত প্রভৃতির
মাধ্যমে আল্লাহর কাছে প্রতিদানের
আশা করা।
আলহামদুলিল্লাহ। আল্লাহ আমাদের
সকল মুসলিম মেয়েদেরকে মূল্যবান এই
নসীহতগুলো মেনে চলার তৌফিক দাণ
করুক। আমিন

_____স্বামী তার স্ত্রীকে বলছে, আমি
আমার কাজে গেলাম,
তুমি ঘুমিয়ে পড়।
.
_____স্ত্রী পেছন থেকে স্বামীর জামা
মোবারক টেনে ধরলেন।
তোমায় না কিছু কথা বলার আছে,
.
_____স্বামী বলল, হুম তোমার সমস্ত কথা শুনার জন্য
আমি প্রস্তুত আছি।
.
_____স্ত্রী তার স্বামীকে বলল, তুমি যে
ভাবেই উপার্জন করে আনোনা কেন? সেটা আমার জন্য হালাল,
_____কিন্তু আমি চাই তুমি____
আমাদের জন্য পরিপূর্ণ হালাল রুজি
রোজগার করবে,,,
.
_____সবার স্ত্রী যদি এক
লক্ষ টাকার শাড়ি চাই, তবে আমি
তোমার কাছে চাইবো এতটুকু বস্ত্র,
যা দিয়ে আমি
আমার আব্রু ঢেকে রাখতে পারবো।
.
_____কোন স্ত্রী যদি তার স্বামীর নিকট শান,
শৌকত, ইমারত চাই,
তবে আমি তোমার নিকট
চাইবো ছোট একটা কুঠির,
যাহাতে কোন
মতো রাত্রি যাপন করতে পারি।
.
_____কোন স্ত্রী যদি তার স্বামীর নিকট স্বর্ণ
অলংকার চাই, তবে আমি
চাইবোনা,,,
_____আমি চাইবো, আল্লাহ তোমার চরিত্র
স্বর্নের মতো খাঁটি করুণ,
প্রতিদিন গোশ, পোলাও
খেতে চাইনা,,,
___দামী রেস্টুরেন্টের
কোন ফাস্ট ফুডস খেতে চাইবোনা,
.
_____আমি দুদিন না খেয়েও থাকতে পারবো, কিন্তু হালাল
উপার্জনের একমুঠো খাবার আমাকে
দিলেই চলবে।
.
____তোমাকে আমি গোলামের মতো
নয়, বাদশার মতো মনে করি, জুতার মতো
তোমার স্থান পায়ে নয়,,, তুমি আমার
মাথার তাজ,,,হৃদয়ের সব ভালবাসা
তোমার জন্য।
.
_____তোমার নিকট আমার একটাই চাওয়া, ফরজ কাজ গুলো কখনোই অমান্য করবেনা
নবীর সুন্নত মোতাবেক জীবন সাজাবে।
.
_____স্বামী এতক্ষণে চুপ করে সব
শুনছিলেন,
স্ত্রীর বলা শেষ হলে বললেন
.
____তুমি আমার কাছে রাজরানীর চাইতেও বড় কিছু,,,
.
_____তোমার মতো স্ত্রী এ জগতে সেই
পাবে, যে পরম সৌভাগ্যবান,
তোমার প্রতিটি কথা,
আমার জীবন চলার পথে অনেক
বড় একটা অবলম্বন।
আল্লাহ সুবহানাহু
তায়ালা তোমার সাথে, আমাকে
জান্নাত নসিব করুক,,
________হে আল্লাহ এই গুনাগার অধমের নছিবে এরকমই এক জীবন সঙ্গী জান্নাতের নিয়ামাত দান করিও .........
_____আমীন ছুম্মা আমীন_

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

তিন শ্রেণীর লোক দ্বারা সর্বপ্রথম জাহান্নাম উদ্বোধন

♪♪তিন শ্রেণীর লোক দ্বারা সর্বপ্রথম জাহান্নাম উদ্বোধন করা হবে। যথাঃ (ক) শহীদ। (খ) আলেম এবং (গ) দানবীর। ★হাদিস: তিন শ্রেণীর লোক সর্বপ্রথম জাহান্নামে যাবেঃ প্রখ্যাত সাহাবী আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে ইরশাদ করতে শুনেছি, নবীজী বলেন:কেয়ামতের দিন সর্বপ্রথম যাদের বিচার করা হবে, শাহাদত বরণকারী একজন লোক, তাকে উপস্থিত করা হবে এবং আল্লাহ প্রদত্ত্ব যাবতীয় নেয়ামত সম্পর্কে জ্ঞাত করা হবে সে সব নেয়ামতকে চিনে বা মেনে নেবে। তখন তাকে বলা হবে: এসব নেয়ামতের পরিপ্রেক্ষিতে তুমি কি কি আমল করেছ? বলবে: আপনার তরে লড়াই-জিহাদ করেছি এবং শহীদ হয়ে গিয়েছি। বলা হবে: তুমি মিথ্যা বলছ। বরং তুমি লড়াই করেছ এজন্য যে, লোকেরা তোমাকে বীর-বাহাদুর বলবে। তাতো বলা হয়েছে। অত:পর তার ব্যাপারে রায় ঘোষণা করা হবে এবং তাকে চেহারার উপর ভর দিয়ে টেনে নিয়ে (যাওয়া হবে এবং) জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে। →দ্বিতীয় পর্যায়ে, আলেম ব্যক্তি যে নিজে দ্বীনী ইলম শিক্ষা গ্রহণ করেছে, অপরকে শিক্ষা দিয়েছে এবং কোরআন পড়েছে। তাকে উপস্থিত করা হবে এবং প্রদত্ত নেয়ামত সম্পর্কে জ্ঞাত করা হবে। সে সব নেয়ামত...

ভ্রান্ত আলেম

ভ্রান্ত আলেম ভ্রান্ত আলেমঃ- নবি(স) বলেন,আমি আমার উম্মতের একটি বিষয়কে দজ্জালে চেয়ে ও বেশী ভয় করি। আমি ভয় পেয়ে জিজ্ঞেস করলাম, হে আল্লাহর রসুল সেটা কি? তিনি বল্লেন,বিপথগামী ও পথভ্রষ্ট আলেম(সহি মুসলিম:৬,৭ মুসনাদে আহমদ:২১৬২১,২১৬২২ তাবরানী:৭৬৫৩)। আলেমগন(ভাল) ইসলামের পাহরাদার বল্লেও, দুর্ভাগ্য যে বর্তমানে কিছু লোক (পীর নিয়ন্ত্রিত) মাদ্রাসায় সাজেশান পড়ে আলেম সার্টিফিকেট সংগ্রহ করে, কিন্তু তারা কুরআন সম্পূর্ণ পড়ে না,বিধায় আমাদের সমাজে পথভ্রষ্ট ও ভ্রান্ত আলেম বেড়ে গেছে। তাদের অজ্ঞতায় সৃজিত জাল-যঈফ হাদিসের জন্য সাধারণ মুসলিম শির্ক ও বিদাআত চিনতে পারছেন না। এরাই বর্তমানে বলে বেড়ায় "ধর্ম বুঝা কঠিন, মাদ্রাসা না পড়লে কোন ভাবেই ধর্ম জানা যায় না তারচে তারা যা বলে তা অন্ধ ভাবে অনুসরণ করতে"। প্রকৃত পক্ষে- এটি সহজ ও দলিল ভিত্তিক ধর্ম।এটা মানতে কুরআন ও সুন্নাহ(in to to) অনুসরণ করতে হয়। কোন পীর,ঈমাম কিংবা আলেম এর স্বপ্ন,ইচ্ছা,গনতন্ত্র, ভাল লাগা, না লাগার উপর ইসলাম নির্ভর করে না। আল্লাহ্‌ বলেন, আলেমদের অন্ধ অনুসরণ করা হারাম(সুরা নাহল:১৬/৪৩,সুর আ"রাফ:৭/৩, সুরা আহযাব:৩৩/৬৭) [Mahbubul ...

হকপন্থী দল কারা ?”

হকপন্থী দল কারা ?” সওবান (রাঃ) হ’তে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) হকপন্থী দল সম্পর্কে ভবিষ্যদ্বাণী করে বলেন, "চিরদিন আমার উম্মতের মধ্যে একটি দল হকের উপরে বিজয়ী থাকবে। পরিত্যাগকারীরা তাদের কোন ক্ষতি করতে পারবে না, এমতাবস্থায় ক্বিয়ামত এসে যাবে, অথচ তারা ঐভাবে থাকবে ।” (সহীহ মুসলিম ‘ইমারত’ অধ্যায়-৩৩, অনুচ্ছেদ-৫৩, হা/১৯২০; ফাৎহুল বারী হা/৭১ ‘ইল্ম’ অধ্যায় ও হা/৭৩১১-এর ভাষ্য ‘কিতাব ও সুন্নাহকে, ‘আঁকড়ে ধরা’ অধ্যায়; আলবানী, সিলসিলা ছহীহাহ হা/২৭০) ইমাম আহমাদ বিন হাম্বল (১৬৪-২৪১ হিঃ)-কে ‘ক্বিয়ামত পর্যন্ত হক-এর উপরে একটি দল টিকে থাকবে’ মর্মে বর্ণিত হাদীছের ব্যাখ্যা জানতে চাইলে তিনি দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলেন, -“তারা যদি ‘আহলে হাদীস’ না হয়। তাহ’লে আমি জানি না তারা কারা ?” (তিরমিযী হা/২১৯২; মিশকাত হা/৬২৮৩-এর ব্যাখ্যা; ফাৎহুল বারী ১৩/৩০৬ পৃঃ, হা/৭৩১১-এর ব্যাখ্যা; সিলসিলা ছহীহাহ হা/২৭০-এর ব্যাখ্যা; শারফু আসহাবিল হাদীস পৃঃ ১৫।) ইমাম আবু আব্দুল্লাহ আল-হাকিম(মৃঃ ৪০৫ হিঃ) বলেন, ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বল এই মন্তব্য করে ভালোই করেছেন যে, কিয়ামত পর্যন্ত টিকে থাকার সেই বিজয়ী দলটি হল ‘আসহাবুল হাদিস’। (ম...