সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

মাসজিদে বসার পূর্বে দুই রাকাত ছালাত

 প্রচলিত ভুলঃ জুমু‘আর খুতবা পাঠ আরম্ভ হলে কেবল ঐ দিনকার ফজরের সলাতের কাজা ব্যতীত অন্য কোন সলাত.... জায়েয নেই। (সহীহ্ মোকছুদুল মোমেনীন বা বেহেশতের কুঞ্জি-১৯২ পৃঃ মাসলাহ-৫) অনুরূপভাবে আমাদের দেশে জুমু‘আর দিনে মাসজিদে প্রবেশ করে প্রথমে বসে তারপর দাঁড়িয়ে সুন্নাত পড়ে’ এটা সুন্নাহ বিরোধী। বরং মাসজিদে প্রবেশ করে বসার পূর্বেই কমপক্ষে দু’রাক‘আত সলাত পড়তে হবে। খুতবার সময় মাসজিদে প্রবেশ করলেও দু’রাক‘আত পড়ে বসতে হবে। * রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর পদ্ধতিঃ প্রমাণ হলোঃ জাবির বিন আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ ‘‘ কোন এক জুমু‘আর দিন নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহিওয়া সাল্লাম) লোকদের সামনে খুতবা দিচ্ছিলেন এমন সময় এক ব্যক্তি আগমন করল। নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহিওয়া সাল্লাম) তাকে বললেন, ‘‘হে অমুক তুমি কি সলাত আদায় করেছ? সে বলল, না। নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহিওয়া সাল্লাম) বললেন, ‘‘উঠ, সলাত আদায় কর।’’ অপর এক বর্ণনায় রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহিওয়া সাল্লাম) খুতবা দেওয়া অবস্থায় বলেনঃ ‘‘যখন তোমাদের মধ্যে কোন ব্যক্তি ইমামের খুতবা দেওয়া অবস্থায় মাসজিদে আগমন করে সে যেন সংক্ষিপ্ত করে দু’...

যাকাতুল ফিতরা কি ভাবে আদায় করবেন?

গ্রন্থঃ রমাযানের ফাযায়েল ও রোযার মাসায়েল অধ্যায়ঃ একাদশ অধ্যায় - ফিত্বরার বিবরণ ফিত্বরার বিবরণ ‘সাদাকাতুল ফিতর’কে ‘যাকাতুল ফিতর’ বলা হয়। ‘সাদাকাহ’ শব্দটি শরয়ী পরিভাষায় ফরয যাকাতের অর্থে ব্যবহূত। আর এ ব্যবহার কুরআন ও হাদীসে বহু জায়গায় পরিলক্ষিত হয়। পক্ষান্তরে ‘ফিতর’ মানে হল, রোযা ছাড়া। সুতরাং ‘যাকাতুল ফিতর’-এর মানে হল, সেই যাকাত; যা রমাযানের রোযা ছাড়ার কারণে ফরয হয়। একে ‘যাকাতুল ফিতরাহ’ও বলা হয়। ‘ফিতরাহ’ মানে প্রকৃতি। যেহেতু এ যাকাত আত্মশুদ্ধি ও আত্মার আমলকে নির্মল করার জন্য দেওয়া ওয়াজেব, তাই এর নাম যাকাতুল ফিতরাহ।[1] সাদাকাতুল ফিতরার মানঃ ফিতরার যাকাত আদায় করা ফরয। আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম) এ যাকাতকে মুসলিম উম্মাহর জন্য ফরয করেছেন। ইবনে উমার (রাঃ) বলেন, ‘আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম) মুসলিমদের সবাধীন ও ক্রীতদাস, পুরুষ ও নারী এবং ছোট ও বড় সকলের জন্য এক সা’ (প্রায় আড়াই কেজি) খেজুর বা যব খাদ্য (আদায়) ফরয করেছেন।’[2] [1] (ফিকহুয যাকাত, ইউসুফ কারযাবী ২/৯১৭) [2] (বুখারী ১৫০৩, মুসলিম ৯৮৪নং) http://www.hadithbd.com/shareqa.php?qa=4128গ্রন্থঃ রমায...

ইসলামিক পিডিএফ ফাইল ২০০ টির ও বেশি

একটি জরুরী ঘোষণা!!! আপনাদের কাছে নিয়ে এলাম ইসলামী বইয়ের এক বিশাল e-Library যেখানে আপনি পাবেন ইসলামের বিভিন্ন বিষয়ের উপর বাংলা-ইংরেজী সব মিলিয়ে প্রায় দু' হাজারেরও বেশী (২০০০) বই! এখানে সব বইগুলো পিডিএফ ফাইল আকারে Google Drive এ আপলোড করা হয়েছে। যেখান থেকে আপনারা বইগুলো অনলাইনেও পড়তে পারেন, আবার পছন্দের বইগুলো ডাউনলোডও করতে পারেন। এই লাইব্রেরীর বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো যে, এখানে বইগুলোকে বিষয়ভিত্তিক অনুসারে বিভিন্ন ফোলডারে সাজানো হয়েছে। তাই আপনার প্রয়োজনীয় বইটি খুঁজে পেতে আপনাকে সমস্ত বই এলোপাথারি ভাবে হাতরাতে হবে না, বরং বিভিন্ন ফোলডারের নাম দেখেই আপনি বুঝতে পারবেন যে আপনার কাঙ্ক্ষিত বইটি কোথায় আছে। সেইসাথে এখানকার বেশীরভাগ বইগুলো বিভিন্ন সাইট থেকে ডাউনলোড করার পর নতুনভাবে এডিট করা হয়েছে, যেগুলো আপনি আপাতত অন্য সাইটে পাবেন না। যেমনঃ - আঁকাবাকা প্রতিটি পেজকে Deskew করে সোজা করা হয়েছে। - ছোটো-বড় সমস্ত পেজকে সমান মাপের করা হয়েছে। - ব্যাকগ্রাউন্ডের সমস্ত দাগ গুলোকে পরিষ্কার করা হয়েছে। - smooth mobile view এর জন্য বইগুলোকে optimize করা হয়েছে। ইত্যাদি ইত্যাদি। সুতরাং দেরী না করে...

আল্লাহর ৯৯ টি নাম

আল্লাহর ৯৯ টি নাম কোরাণে বর্ণিত আল্লাহর ৯৯টি নাম আল্লাহ্,র ৯৯টি নাম (আরবি: أسماء الله الحسنى‎‎) হলো ইসলাম ধর্মমতে কুরআন ও হাদিসে বর্ণিত আল্লাহ্‌র গুণবাচক নামের একটি তালিকা বা সংকলন।[১] ইসলাম ধর্ম মতে বুনিয়াদি নাম বা ভিত্তি নাম একটিই। আর তা হলো আল্লাহ্, কিন্তু তার গুণবাচক নাম অনেকগুলো। বিভিন্ন হাদীস অনুসারে আল্লাহ'র ৯৯টি নামের একটি তালিকা আছে। কিন্তু তাদের মধ্যে কোনো সুনির্দিষ্ট ধারাবাহিক ক্রম নেই। তাই সম্মিলিত মতৈক্যের ভিত্তিতে কোনো সুনির্দিষ্ট তালিকাও নেই। তাছাড়া কুরআন এবং হাদিসের বর্ণনা অনুসারে আল্লাহ্'র সর্বমোট নামের সংখ্যা ৯৯-এর অধিক, প্রায় ৪,০০০। অধিকন্তু আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ কর্তৃক বর্ণিত একটা হাদিসে বর্ণিত হয়েছে যে, আল্লাহ্ তার কিছু নাম মানবজাতির অজ্ঞাত রেখেছেন।[২] উৎস এবং ইতিহাস সম্পাদনা কুরআনে প্রাপ্ত আল্লাহ'র ৯৯টি নাম সম্পাদনা এই তালিকার সর্বপ্রথম কলামে অডিও ফাইলের লিঙ্ক দেয়া আছে। সেগুলো শুনতে অসুবিধা হলে এইখানে সহায়তা দেখুন । # আরবীতে বর্ণান্তর অণুবাদ (আলোচ্য বিষয়বস্তুর উপর অর্থ নির্ভরশীল) ক্বুরআন-কারীমে এই নামের ব্যবহার   ১ الله আল্লাহ আল...

রমাজান মাসকে তিন ভাগে ভাগ করা কি?

প্রথম দশদিন– রহমত। দ্বিতীয় দশদিন– মাগফিরাত। তৃতীয় দশদিন– জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্তি। এই ভাবে রমজানকে তিন ভাগে ভাগ করে – একেক ভাগে রহমত, মাগফিরাত আর জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্তির দু’আ করা- বিদআত। শরিয়তে এর কোন ভিত্তি নেই.. গোটা রমজান মাস আল্লাহর পক্ষ থেকে এক রহমত। গোটা মাসেই মাগফিরাত ও জাহান্নাম থেকে নাজাত হয়। রমজান মাসের বিশেষ কোন অংশ এ মর্যাদাগুলোর কোন একটির জন্য খাস নয়। এটি আল্লাহর বিপুল রহমতের নিদর্শন। ইমাম মুসলিম (১০৭৯) আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন যে, “যখন রমজান মাস আসে তখন রহমতের দরজাগুলো খুলে দেয়া হয়। জাহান্নামের দরজাগুলো বন্ধ করে দেয়া হয়। শয়তানগুলোকে শিকলাবদ্ধ করা হয়।” তিরমিযি (৬৮২) আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন যে, “রমজানের প্রথম রাত্রিতে শয়তান ও অবাধ্য জ্বিনগুলোকে বন্দি করা হয়। জাহান্নামের দরজাগুলো বন্ধ করা হয়। জাহান্নামের কোন দরজা খোলা রাখা হয় না। জান্নাতের দরজাগুলো খুলে দেয়া হয়। জান্নাতের কোন দরজা বন্ধ রাখা হয় না। একজন আহ্বানকারী আহ্বান করতে থা...

শবেবরাত বিষয়ে সহীহ, যয়ীফ ও জাল হাদীস

শবেবরাত বিষয়ে সহীহ, যয়ীফ ও জাল হাদীস ‘মধ্য শাবানের রজনী’ বা ‘শবে বারাত’ বিষয়ক সকল সহীহ, যয়ীফ ও জাল হাদীস সনদ-সহ বিস্তারিত আলোচনা করেছি ‘‘কুরআন-সুন্নাহর আলোকে শবে বরাত: ফযীলত ও আমল’’ নামক গ্রন্থে। এখানে আমি এ বিষয়ক জাল হাদীসগুলো আলোচনা করতে চাই। প্রসঙ্গত এ বিষয়ক সহীহ ও যয়ীফ হাদীসগুলোর বিষয়েও কিছু কথা আসবে। ১. মধ্য শাবানের রাত্রির বিশেষ মাগফিরাত এ বিষয়টি সহীহ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত। হাদীস শরীফে বলা হয়েছে: إِنَّ اللَّهَ لَيَطَّلِعُ فِي لَيْلَةِ النِّصْفِ مِنْ شَعْبَانَ فَيَغْفِرُ لِجَمِيعِ خَلْقِهِ إِلا لِمُشْرِكٍ أَوْ مُشَاحِنٍ ‘‘মহান আল্লাহ মধ্য শাবানের রাতে তাঁর সৃষ্টির প্রতি দৃকপাত করেন এবং মুশরিক ও বিদ্বেষ পোষণকারী ব্যতীত সকলকে ক্ষমা করে দেন।’’ এ অর্থের হাদীস কাছাকাছি শব্দে ৮ জন সাহাবী: আবূ মূসা আশআরী, আউফ ইবনু মালিক, আব্দুল্লাহ ইবনু আমর, মুয়ায ইবনু জাবাল, আবু সা’লাবা আল-খুশানী, আবূ হুরাইরা, আয়েশা ও আবূ বাকর সিদ্দীক (রাঃ) থেকে বিভিন্ন সনদে বর্ণিত হয়েছে।[1] এ সকল হাদীসের সনদ বিষয়ক বিস্তারিত আলোচনা উপর্যুক্ত গ্রন্থে করেছি। এগুলোর মধ্যে কিছু সনদ দুর্বল ও কিছু সনদ ‘হাসান’ পর্...

বর্তমানে ফেসবুকে বহুল শেয়ারকৃত এই পোস্টটি সম্পূর্ন ভূয়া! ভূয়া! ভূয়া!ওমুক তারিখে শবে বরাত!!! ওমুক তারিখে মাহে রমজান!!!!! ওমুক তারিখে ঈদুল ফিতর!!!!!! ওমুক তারিখে ঈদুল আযহা!!!!!!

*وَعَلَيْكُمُّ السَّلاَمْ وَ رَحْمَتُﷲِ وَبَرَكَاتُهُ* *❌❌সাবধান সাবধান সাবধান❌❌* বর্তমানে ফেসবুকে বহুল শেয়ারকৃত এই পোস্টটি সম্পূর্ন ভূয়া! ভূয়া! ভূয়া!ওমুক তারিখে শবে বরাত!!! ওমুক তারিখে মাহে রমজান!!!!! ওমুক তারিখে ঈদুল ফিতর!!!!!! ওমুক তারিখে ঈদুল আযহা!!!!!! বর্তমানে ফেসবুকে বহুল শেয়ারকৃত এই পোস্টটি সম্পূর্ন ভূয়া! ভূয়া! ভূয়া! ওমুক তারিখে শবে বরাত!!! (যদিও কুরআন সুন্নায় শবে বরাত বলতে কোন শব্দ ই নাই!) ওমুক তারিখে মাহে রমজান!!!!! ওমুক তারিখে ঈদুল ফিতর!!!!!! ওমুক তারিখে ঈদুল আযহা!!!!!! মহা নবী (সাঃ) নাকি বলছেন যে এই খবর ১ম কোন মুসলিমকে দিবে তার জন্য জাহান্নামের আগুন হারাম!"<<< এইটা একটা ডাহা মিথ্যা কথা! ডাহা মিথ্যা কথা! ডাহা মিথ্যা কথা! এমন কোন হাদীস পৃথিবীতেই নাই। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ “খবরদার! তোমরা আমার নামে বেশি বেশি হাদীস বলা থেকে বিরত থাকবে। যে আমার নামে কিছু বলবে সে যেন সঠিক কথা বলে। আর যেই আমার নামে এমন কথা বলবে যা আমি বলিনি তাকে জাহান্নামে বসবাস করতে হবে।”[ইবনু মাজাহ, আস-সুনান১/১৪;আলবানী, সহীহ সুনান ইবনি মাজাহ ১/২৯; দারিম...